Inside BD Crime
অনলাইনে প্রতারণার মাধ্যমে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাৎ করেছে যেসব প্রতিষ্ঠান, সেগুলোর একটি রিং আইডি। দেড় বছর আগে অনুসন্ধানের ভিত্তিতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, প্রতিষ্ঠানটির কর্তাব্যক্তিরা গ্রাহকদের ৩০২ কোটি টাকা অন্যত্র সরিয়ে নেন। তার মধ্যে ৩৭ কোটি টাকা পাচার ও আত্মসাৎ করেছেন।
নিজে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হয়ে স্ত্রীকে করেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। আর ভাই সাইফুলকে করেন পরিচালক। রিং আইডির গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাতের খবর প্রকাশের পর ২০২১ সালে সাইফুলকে গ্রেপ্তার করেছিল সিআইডি।
এক বছর অনুসন্ধানের পর ২০২২ সালের আগস্টে রাজধানীর গুলশান থানায় রিং আইডির ওই তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করে সিআইডি। তখন সিআইডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, ঘরে বসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেখে দিনে ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা আয় করার চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয় রিং আইডি। তাদের ৫টি ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০১৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ৩৭৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৩০২ কোটি টাকা প্রতিষ্ঠানটির ৫টি ব্যাংক হিসাব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। ওই অর্থের মধ্যে ৩৭ কোটি টাকা পাচার ও আত্মসাৎ করা হয়, যার ৩৩ কোটি টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা হয়।
২০২১ সালে এক সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির তৎকালীন অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক কামরুল আহসান জানান, সিআইডির অনুরোধে রিং আইডির প্রায় ২০০ কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক জব্দ করেছে। তাদের আত্মসাৎ করা টাকার পরিমাণ আরও বেশি।
<script type="text/javascript"> atOptions = { 'key' : '4b60473a3fa679a4bd88e3bb209f5809', 'format' : 'iframe', 'height' : 90, 'width' : 728, 'params' : {} }; </script> <script type="text/javascript" src="//www.topcreativeformat.com/4b60473a3fa679a4bd88e3bb209f5809/invoke.js"></script>
No comments:
Post a Comment