বাড্ডার ২১ নম্বর ওয়ার্ডে অসহায় মানুষ ও পথশিশুদের মধ্যে ছাত্রলীগের উদ্যোগে ঈদবস্ত্র বিতরণের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। সংগঠনটির নেতারাও জানিয়েছেন, এ রকম কোনো উদ্যোগ ছাত্রলীগ নেয়নি। এটা আসলে ইমরানের চাঁদাবাজির কৌশল।
স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাড্ডায় অপরাধীদের তিনটি দল দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি করে। ব্যবসায়ীদের কারও কারও কাছ থেকে মাসে মাসে টাকা নেওয়া হয়। কারও কারও কাছে ঈদ, পয়লা বৈশাখ, বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবসসহ বিভিন্ন উৎসব ও জাতীয় দিবসকে কেন্দ্র করে নানা অজুহাতে চাঁদা দাবি করে অপরাধী দলগুলো।
চাঁদা না দিলে কী হয় তা টের পেয়েছিলেন এসএএম অনলাইন নামের একটি ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের মালিক মতিউর রহমান। গত ৩ ফেব্রুয়ারি তাঁর কার্যালয়ে হেলমেট পরা এক সন্ত্রাসী ঢুকে কোনো কথা না বলে এক কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিটি তাঁর গায়ে লাগেনি। মাথার পাশ দিয়ে গিয়ে দেয়ালে লাগে।
No comments:
Post a Comment